ঢাকা বৃহস্পতিবার, জুলাই ৭, ২০২২

Popular bangla online news portal

ছাত্রলীগ-যুবলীগের তোপে এলাকা ছাড়লেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা


সংলাপ প্রতিনিধি
১২:০১ - শনিবার, মে ৭, ২০২২
ছাত্রলীগ-যুবলীগের তোপে এলাকা ছাড়লেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রোষানলে পড়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের এলাকা ছাড়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ পাহারায় দাউদকান্দি ছেড়ে পাশের তিতাস উপজেলায় অবস্থান করছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসন।

শনিবার (৭ মে) দুপুর সোয়া ১২টায় দাউদকান্দি উপজেলা সদরের বাসবভনে দাউদকান্দি-মেঘনার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ ঘটনা ঘটে। ড. মোশাররফ হোসেনকে দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে দাউদকান্দিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে মিছিল করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ পূর্ণমিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে শনিবার দাউদকান্দি আসেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠান শেষ করে বের হওয়ার পথে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের লোকজন আমাদের উপর হামলা করে। তাৎক্ষণিক পুলিশ এসে আমাদের আমাদের নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যায়। এদিকে বিএনপির লোকজনের হামলায় ইমরান চৌধুরী নামে ছাত্রলীগ নেতা আহত হয়েছেন। সে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। এ ঘটনার পর দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী এক ভিডিও বার্তায় ছাত্রলীগের উপর হামলাকারী বিএনপির সন্ত্রাসীদের একবিন্দুর ছাড় না দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ভিপি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষ করে তিতাসের একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য স্যারের বাসভবন থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই আমাদের উপর হামলা শুরু করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। এতে আমাদের লোকজন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, দাউদকান্দির শান্ত রাজনীতিতে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি করার পিছনে যারা জড়িত তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (সদ্য বিলুপ্ত) তারিকুল ইসলাম নয়ন ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।

সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ ইকবাল বলেন, ঘটনাস্থলে আগে থেকেই পুলিশ ছিল, তবে সংখ্যায় কম থাকায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। আমি যাওয়ার পর উভয়কেই মুখোমুখি অবস্থানে দেখতে পাই। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর জানতে পারি মোশাররফ সাহেব নেতকর্মীদের নিয়ে তিতাস উপজেলায় যাবেন। পরে পুলিশী নিরাপত্তায় তাদেরকে দাউদকান্দি পার করে দেয়া হয়।